মুক্তিযুদ্ধ ভুলিয়ে দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘মনে হয় আমরা দেশের জন্য কিছুই করিনি। চব্বিশের আন্দোলনকারীরাই সব করেছে। আমরা চব্বিশকেও ভুলতে পারব না, একাত্তরে যত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, তাও কোনদিন ভুলতে পারব না।’
সোমবার সকালে ঠাকুরগাঁও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘একাত্তরে অনেক নিরাপরাধীকে হত্যা করা হয়েছে। অত্যাচারে অনেকেই দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে লুকিয়ে ছিল। আমাদের মা-বোনদের অন্যায়ভাবে অত্যাচার করে হত্যা করা হয়েছিল। সেই দিনগুলোকে ভুলিয়ে দিতে চাইলে কি আর ভুলে যাওয়া সম্ভব!’
সুপরিকল্পিতভাবে একটি চক্র মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনীদের যোগসাজশে এমন হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

‘আজ দেশকে গিলে খাওয়ার চেষ্টা চলছে’ অভিযোগ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘দেশকে গ্রাস করার চেষ্টা চলছে। ধর্মীয় অনুভূতি বিক্রি করে একটি মহল এসব কাজ করছে। এজন্য আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অম্লান রাখতে হবে।’
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একটি মহল নির্বাচনকে পিছিয়ে দেওয়ার পাঁয়তারা করছে। নির্বাচনকে বানচাল করা আর পিছিয়ে দেওয়া মানেই দেশের সর্বনাশ হওয়া। এখন একটি নির্বাচিত সরকার খুব দরকার।’
মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক নুর করিম, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক নাঈম জাহাঙ্গীর, সদস্য সচিব সাদেক আহম্মদ খান, ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও সদস্য আলহাজ্ব মনসুর আলী।


