রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলার ঘিলাছড়ির হাজাছড়ি গ্রামে মিটার ছাড়াই বিদ্যুৎ বিল আসার অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী কান্তি চাকমা জানান, মিটার স্থাপনের জন্য টাকা জমা দিলেও তা বসানো হয়নি। অথচ প্রথম বিলে ৩০০ইউনিটের বিপরীতে ২ হাজার ৪০২ টাকা বিল এসেছে। বাড়িতে কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহার না করলেও ঘিলাছড়ি বাজারের বিকাশের দোকান থেকে ওই বিল পরিশোধ করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।
ঘিলাছড়ি বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি জীবন্ত চাকমা বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগে অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়ে থাকে। বাড়িতে না গিয়ে তারা বিল লিখে দেয়। মিটার না পেয়েও বিল আসা অত্যন্ত হাস্যকর।
ঘিলাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অমল কান্তি চাকমা জানান, মিটারের আগে বিল আসার বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
রাঙামাটি বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম বলেন, মাঠকর্মীর কাছে মিটার থাকলেও তা বাড়িতে লাগাতে পারেনি। এটি একটি ভুল হয়েছে। পরবর্তী সময় বিল কারেকশন করে ইউনিট দেখে ম্যানেজ করে দেওয়া হবে। কোনো সমস্যা হবে না।
রাঙামাটি বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী স্বাগত সরকার প্রথমে প্রতিবেদকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এক পর্যায়ে তিনি বিষয়টি স্বীকার করে জানান, মিটার স্থাপনের আগে কীভাবে বিল গেল, তা খতিয়ে দেখতে সাব-স্টেশনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।


