মালদ্বীপের ডিগুরাহ দ্বীপে একটি গেস্ট হাউসে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে পাঁচ প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আরও দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানী মালে থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরের দ্বীপটিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের পর গেস্ট হাউসের ভেতর থেকে সাতজনকে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয় এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাঁচজন মারা যান।
নিহতরা হলেন তাজ উদ্দিন ইসলাম, মো. সদর আলী, মো. রবিন মোল্লা, সফিকুল ইসলাম এবং মো. নূরনবী সরকার। আহত দুইজন হলেন জামাল উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেন।
ঘটনার পরপরই মালেতে বাংলাদেশ হাইকমিশন মালদ্বীপের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিহতদের মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেয়। দূতাবাস জানিয়েছে, নিহতদের পরিবারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
হাইকমিশন আরও জানিয়েছে, নিহতদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে।
গুরুতর আহত দুই বাংলাদেশিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মালে শহরের হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং তাদের চিকিৎসা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত অন্য বাংলাদেশিদের জন্য বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থাও করা হয়।
মালদ্বীপে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. নাজমুল ইসলাম মালের ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতালে গিয়ে আহতদের খোঁজখবর নেন। পরে তিনি গালুলু মর্গ পরিদর্শন করে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন।
হাইকমিশন জানিয়েছে, নিহত মো. সদর আলী ও সফিকুল ইসলামের মরদেহ শনিবার বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
মালেতে বাংলাদেশ হাইকমিশন এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে।


