ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস বর্তমানে কোথায় আছেন, সে বিষয়ে সরকারের কাছে কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই।
তবে তারা উভয়েই জীবিত আছেন–এমন দাবির পক্ষে সরকারের কাছ থেকে ‘তাৎক্ষণিক প্রমাণ’ চাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
বিবিসির খবরে বলা হয়, শনিবার ভোরে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলার পর থেকে দেশটির পরিস্থিতি নিয়ে ব্যাপক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা ভেনেজুয়েলার সামরিক অবকাঠামো ও অন্যান্য লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।
তবে এসব হামলায় সামরিক স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কিংবা কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে ভেনেজুয়েলার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্লাদিমির পাদরিনো জানান, নিহত ও আহতদের সংখ্যা সম্পর্কে সরকার তথ্য সংগ্রহ করছে।
তিনি অভিযোগ করেন, মার্কিন বাহিনী বেসামরিক এলাকাতেও হামলা চালিয়েছে।

স্পেনীয় ভাষায় দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় ভ্লাদিমির পাদরিনো বলেন, ‘ভেনেজুয়েলা বিদেশি বাহিনীর উপস্থিতি প্রতিরোধ করবে।’ তিনি অবিলম্বে দেশজুড়ে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের ঘোষণা দেন।
মার্কিন হামলাকে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে ‘সবচেয়ে খারাপ আগ্রাসন’ হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে একটি ঐক্যবদ্ধ ফ্রন্ট গঠন করা হবে।
তিনি আরও জানান, প্রেসিডেন্ট মাদুরোর নির্দেশ অনুযায়ী দেশের সব সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হবে।
ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘তারা আমাদের আক্রমণ করেছে, কিন্তু তারা আমাদের দমন করতে পারবে না।’


