অতিরিক্ত মাছ আহরণ নিয়ন্ত্রণে সরকার বিধিনিষেধ আরও কঠোর করবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেন, বড় বড় জাহাজ নিয়ে সমুদ্রে গিয়ে যা ইচ্ছা তা ধরার সুযোগ রাখা হবে না। তাদেরকে অবশ্যই নিয়মের আওতায় আনা হবে।
সোমবার সকালে প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন সোসাইটি (ডব্লিউসিএস) এবং ওয়ার্ল্ড ফিশ আয়োজিত ‘সুস্থ সাগর’ বিষয়ক এক কর্মশালায় তিনি এ সব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, সামুদ্রিক সম্পদ রক্ষায় কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী, মৎস্য অধিদপ্তরসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলো কাজ করছে। মানুষের খাদ্যের বিষয়টি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই শুধু বাণিজ্যিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মাছ ধরা হয় কিনা, সে দিকটি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।
এ সময় ক্ষতিকর জালের ব্যবহারকে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য সবচেয়ে উদ্বেগজনক হিসেবে উল্লেখ করেন মৎস্য উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ফাঁস জাল ও বেহেন্দি জালের মতো নিষিদ্ধ ও অননুমোদিত জালে বিভিন্ন আকারের মাছ ধরা পড়ে জালেই মারা যাচ্ছে, যা সামগ্রিক মাছের মজুদ কমিয়ে দিচ্ছে।
কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কমোডর শেখ মাহমুদুল হাসান, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুর রউফ, ডব্লিউসিএস বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ফারুক-উল ইসলাম।


