মন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী

মন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী
দীনেশ ত্রিবেদী। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীকে মন্ত্রীর সমমর্যাদা দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। এক আনুষ্ঠানিক সভায় (সেরিমোনিয়াল) বুধবার তাকে ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার (ইউনিয়ন ক্যাবিনেট) মন্ত্রীর মর্যাদা দেওয়া হয়।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই মর্যাদা কেবল ব্যক্তিগতভাবে দীনেশ ত্রিবেদীর জন্য প্রযোজ্য এবং তা শুধু কোনো আনুষ্ঠানিক আয়োজনে অগ্রাধিকার (টেবিল অব প্রেসিডেন্স) নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

তবে দীনেশ ত্রিবেদীর জন্য ভারতের সরকারি ‘টেবিল অব প্রিসিডেন্স’ স্থায়ীভাবে পরিবর্তন করা হয়নি।

গত ১২ জুন বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে সড়কপথে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার। এরপর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় হাইকমিশনের দায়িত্ব বুঝে নেন।

আরও পড়ুন

দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশে হাইকমিশনার হিসেবে নিযুক্ত ভারতের প্রথম কোনো রাজনীতিবিদ। এর আগে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

দীনেশ ত্রিবেদী পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিক হলেও বাঙালি নন। তবে সাবলীল বাংলা বলতে পারেন, বাঙালি সংস্কৃতিতেও বেশ অভ্যস্ত। বাংলাদেশ সম্পর্কেও তার জ্ঞান গভীর। গুজরাটি বাবা-মায়ের সন্তান দীনেশের স্কুল জীবন কেটেছে হিমাচল প্রদেশের বোর্ডিং স্কুলে। পরের ধাপ কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে। এরপর এমবিএ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

পশ্চিমবঙ্গে আশির দশকে কংগ্রেসের হাত ধরে রাজনীতি শুরু করেন দীনেশ ত্রিবেদী। এরপর ১৯৯০ সালে যোগ দেন জনতা দলে, সেই দল থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ছিলেন রাজ্যসভার সদস্য। ১৯৯৮ সালে কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জি তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করলে এই দলে যোগ দেন দীনেশ। তৃণমূল থেকে প্রথমে রাজ্যসভা সদস্য ও পরে লোকসভা সদস্য হয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের জোটসঙ্গী হিসেবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও হয়েছেন।

তবে ২৩ বছরের সম্পর্ক ছেদ করে ২০২১ সালে কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন বিজেপিতে যোগ দেন দীনেশ ত্রিবেদী। এখনও এই দলের সঙ্গেই আছেন তিনি।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad