মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-ইরান সংঘাতের জেরে আকাশসীমা বন্ধের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের আকাশপথেও। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সোমবার বাতিল করা হয়েছে ৩৯টি ফ্লাইট।
এ নিয়ে শনিবার থেকে তিন দিনে মোট ১০২টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। সোমবার বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে– কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি ফ্লাইট, এমিরেটসের ৫টি ফ্লাইট, গালফ এয়ারের ২টি ফ্লাইট, ফ্লাইদুবাইয়ের ৪টি ফ্লাইট, কুয়েত এয়ারওয়েজের ২টি ফ্লাইট, এয়ার অ্যারাবিয়ার (শারজাহ, সংযুক্ত আরব আমিরাত) ৮টি ফ্লাইট, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৪টি ফ্লাইট এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ১০টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে গত রোববার। এদিন সর্বোচ্চ ৪০টি ফ্লাইট বাতিল হয়। এর মধ্যে জাজিরা এয়ারওয়েজের ২টি ফ্লাইট, এমিরেটসের ৫টি ফ্লাইট, গালফ এয়ারের ২টি ফ্লাইট, ফ্লাইদুবাইয়ের ৪টি ফ্লাইট, কাতার এয়ারওয়েজের ২টি ফ্লাইট, সালামএয়ারের ২টি ফ্লাইট, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৮টি ফ্লাইট, কুয়েত এয়ারওয়েজের ২টি ফ্লাইট, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ৪টি ফ্লাইট এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৯টি ফ্লাইট বাতিল হয়।
শনিবার বাতিল করা হয় ২৩ ফ্লাইট। এর মধ্যে ছিল–এমিরেটসের ১টি ফ্লাইট, গালফ এয়ারের ১টি ফ্লাইট, ফ্লাইদুবাইয়ের ১টি ফ্লাইট, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৩টি ফ্লাইট, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ৬টি ফ্লাইট এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১১টি ফ্লাইট।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এর মধ্যে কিছু ফ্লাইট রিশিডিউল করা হলেও ফ্লাইটগুলো এখনো অনিশ্চিত। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে। যাত্রীদের ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে স্থানীয় সময় শনিবার সকালে ইরানে অতর্কিত হামলা চালিয়ে যুদ্ধ শুরু করে ইসরায়েল। যুদ্ধ শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে ইরানসহ কয়েকটি দেশ সাময়িকভাবে তাদের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করে। অন্যান্য দেশগুলো হলো– ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান।
এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের রুটে চলাচলকারী ফ্লাইটগুলোর ওপর। ফলে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটের একাধিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।


