ভোটগ্রহণের দিন ও তার আগে-পরে কিছু নৌযান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
মঙ্গলবার ইসি সচিবালয়ের নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে একথা জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়, নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটগ্রহণের আগের মধ্যরাত অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত লঞ্চ এবং ইঞ্জিন বোট (নির্দিষ্ট রুটে চলাচলকারী ব্যতীত) চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।
তবে রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী এজেন্ট এবং পরিচয়পত্রধারী দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা যাবে।
সেইসঙ্গে, নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত পরিচয়পত্রধারী দেশি-বিদেশি সাংবাদিক, নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং জরুরি সেবা যেমন- অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ডাক ও টেলিযোগাযোগ কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য নৌযান চলাচলের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
এছাড়া, প্রধান প্রধান নৌপথে বন্দর ও জরুরি পণ্য সরবরাহসহ অন্যান্য বিশেষ প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, ভোটার ও জনসাধারণের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত নৌযান এবং দূরপাল্লার নৌযান চলাচলের ক্ষেত্রেও এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না।
তবে স্থানীয় প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তবতা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা শিথিল করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে নেওয়া হবে গণভোটও।


