শুক্রবার সকালে ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে বাংলাদেশ। ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৫। তবে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৭।
দেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকি বাড়ছে বলে বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরেই সতর্ক করে আসছেন। তাদের মতে, ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দেওয়া খুব জটিল বিষয়।
এ অবস্থায় ব্যক্তিপর্যায় থেকেই কিছু সতর্কতা নেওয়া প্রয়োজন। ভূমিকম্পের আগে, চলাকালে এবং পরে কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার মাধ্যমে ভয়াবহ দুর্ঘটনা এড়ানো যেতে পারে।
প্রথমেই ভূমিকম্প হলে আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকার চেষ্টা করতে হবে।
কম্পন অনুভব করলে বা খবর পেলে সঙ্গে সঙ্গে ফাঁকা জায়গায় আশ্রয় নিতে হবে। উঁচু ভবনে অবস্থান করলে এবং বের হওয়া সম্ভব না হলে জানালা বা দেয়ালের পাশে না গিয়ে শক্ত কোনো টেবিল, ডেস্ক বা বিমের নিচে আশ্রয় নিতে হবে।
গার্মেন্টস কারখানা, হাসপাতাল বা মার্কেটের ভেতরে থাকলে দরজা বা সিঁড়ির সামনে ভিড় না করে দুহাতে মাথা ঢেকে বসে পড়তে হবে। সম্ভব হলে মাথার ওপর শক্ত বালিশ বা অন্য কোনো শক্ত বস্তু ধরে রাখতে হবে।
বহুতল ভবনে থাকলে কম্পন থামা পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত। তাড়াহুড়ো করে লাফ দেওয়া বা লিফট ব্যবহার করা উচিত নয়।
গাড়িতে থাকলে সেতু, উড়ালসড়ক, গাছ বা বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে দূরে গাড়ি থামিয়ে ফেলতে হবে এবং কম্পন না থামা পর্যন্ত ভেতরেই থাকতে হবে।
এছাড়া ফায়ার সার্ভিসসহ প্রয়োজনীয় জরুরি নম্বর সঙ্গে রাখতে হবে, হাতের কাছে সুইচ থাকলে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ও ফ্যান বন্ধ করে দিতে হবে এবং গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ থেকেও দূরে থাকতে হবে।
প্রথম ঝাঁকুনির পর আরেকটি কম্পন হতে পারে, যাকে ‘আফটারশক’ বলা হয়। এর জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে, আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকতে হবে।


