বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে (বিটিআরসি) অবৈধভাবে নিয়োগের ঘটনায় কেন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।
একটি রিট আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ৫ মার্চ এ রুল জারি করেন। রুলের বিষয়টি সোমবার নিশ্চিত করেন রিটকারীদের আইনজীবী ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান।
বিটিআরসিতে বিগত সরকারের আমলে নিয়োগ পাওয়া ২৯ জন জুনিয়র পরামর্শককে রাজস্ব খাতের বিভিন্ন পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য ২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর বিজ্ঞান, তথ্য ও প্রযুক্তি অডিট অধিদপ্তর প্রেরিত অডিট ইনস্পেকশন রিপোর্টে উঠে আসে।
সংশ্লিষ্ট নিয়োগগুলোতে চাকরিবিধি, নিয়োগ পরীক্ষা ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে স্বেচ্ছাচারীভাবে নিয়োগ দেওয়ার বিস্তারিত তথ্য ওই অডিট প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
বারবার ব্যাখ্যা চাওয়ার পরও বিটিআরসির পক্ষ থেকে অডিট অধিদপ্তরকে সন্তোষজনক কোনো জবাব দেওয়া হয়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। পরবর্তীতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বিটিআরসির চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দিলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, বরং সংশ্লিষ্টদের পদোন্নতির উদ্যোগ নেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিটিআরসিতে কর্মরত উপপরিচালক সঞ্জিব কুমার সিংহ, কাজী মো. আহসানুল হাবীব, মো. জাকির হোসেন খান, এসএম আফজাল রেজা, মো. আসিফ ওয়াহিদ ও মো. হাসিবুল কবির রিট আবেদন করেন।
রিটে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অডিট উইংয়ের যুগ্ম পরিচালক, বিটিআরসির চেয়ারম্যান এবং প্রশাসন বিভাগের মহাপরিচালককে বিবাদী করা হয়েছে।


