অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা জারে পানি সরবরাহ এবং বিএসটিআইয়ের মান সনদ গ্রহণ ব্যতীত পানি বাজারজাতের অভিযোগে রাজধানীর আরামবাগে দুটি প্রতিষ্ঠানের ছয় শতাধিক পানির জার ধ্বংস করেছে পণ্যের মান প্রণয়ন নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।
সোমবার বিএসটিআই পরিচালিত বিশেষ সার্ভিল্যান্স অভিযানে এসব জার ধ্বংস করা হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
অভিযানে দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়া পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।
নিরাপদ ও মানসম্মত পানি ভোক্তার অন্যতম মৌলিক প্রত্যাশা। পানির মতো সরাসরি ভোগ্যপণ্যের ক্ষেত্রে উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণে স্বাস্থ্যবিধি ও নির্ধারিত মান অনুসরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পানি সরবরাহ এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও মান নিয়ন্ত্রণ সনদ ছাড়া পানি বাজারজাত ভোক্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
এ বিষয়ে বিএসটিআই মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, বিএসটিআই দেশের বাজারে মানসম্মত পণ্য নিশ্চিতকরণ এবং ভোক্তা স্বার্থ সুরক্ষায় নিয়মিত বাজার তদারকি ও সার্ভিল্যান্স কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
ভেজাল ও নিম্নমানের পণ্যের বিরুদ্ধে বিএসটিআই প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে বদ্ধপরিকর। বিএসটিআই পণ্যের মান সনদ প্রদানের পাশাপাশি নকল ও ভেজাল রুখতে সার্ভিল্যান্সের মাধ্যমে কঠোর নজরদারি চলমান রেখেছে। যেখানে মানহীন ও ভেজাল পণ্যের সন্ধান পাব সেখানেই আমাদের অভিযান চলবে।
পণ্য ক্রয়ের আগে ক্রেতাসাধারণকে বিএসটিআইর মানচিহ্ন, লাইসেন্স নম্বর, উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, পণ্যের উপাদান এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেন বিএসটিআইর মহাপরিচালক।


