বিএনপিকে কেউ কখনো ফ্যাসিস্ট বা স্বৈরাচার বলতে পারেনি এবং ভবিষ্যতেও পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
তিনি বলেন, বিএনপি সবসময় জনগণের সেন্টিমেন্টকে ধারণ করে রাজনীতি করে। এটি একটি জনবান্ধব দল এবং জনগণও এই দলের কাছে অনেক কিছু আশা করে।
মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় একাডেমিক ভবনের সেমিনার কক্ষে ‘রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবন, কর্ম ও আদর্শ’ শীর্ষক এই সভার আয়োজন করে ‘মাভাবিপ্রবি পরিবার’।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আরও বলেন, জিয়াউর রহমান দেশপ্রেমের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। তিনি শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েই ক্ষান্ত হননি, নিজে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন এবং যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছেন। রাষ্ট্রকে দুর্ভিক্ষের হাত থেকে মুক্ত করে খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মোহাম্মদ কামরুল আহসান। জিয়াউর রহমানের জীবন সংগ্রাম ও অবদান তুলে ধরে তিনি বলেন, ৭৫-এর বাকশাল গঠন ও মুজিব হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা জিয়াউর রহমানকে জড়াতে চায়, তারা মূলত প্রকৃত ইতিহাস জানে না। জিয়াউর রহমান শুধু বিএনপির নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন এ দেশের গণমানুষের নেতা।
বিশেষ আলোচকের বক্তব্যে মাভাবিপ্রবির উপাচার্য এ বি এম শহিদুল ইসলাম বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন সাহসী রাষ্ট্রনায়ক ও দূরদর্শী নেতা। তার কর্মময় জীবন, দেশপ্রেম এবং নেতৃত্বগুণ নতুন প্রজন্মের জন্য সবসময় অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।
বক্তব্য শেষে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য প্রতিমন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন দাবি ও বিষয় তুলে ধরেন।
কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মোস্তফা কামাল নাসিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আইসিটি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মনির মোর্শেদ। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু। এ ছাড়া আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ডিন, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


