জাকসু নির্বাচনে বৃহস্পতিবার রাতভর ভোট গণনার পর শুক্রবার সকালে আবারও ভোট গণনার সময় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে অসুস্থ হয়ে মারা যান পোলিং অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌস।
মৃত্যুর অল্প কিছুক্ষণ আগে সকাল ৮টা ১৮ মিনিটে পাবনায় সাংবাদিক বাবা রুমি খন্দকারকে তিনি টেক্সট মেসেজে জানিয়েছিলেন, ’বাবা আমি ভোট গণনা করতে যাচ্ছি’।
সে যাওয়াই তার শেষ যাওয়া হলো, মাত্র ৩০ বছর বয়সেই থেমে গেল হাসিখুশি জীবন।
পাবনার আরিফপুর কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌস।
শুক্রবার রাত সাড়ে আটটায় পাবনা শহরের এলাকায় কাচারিপাড়া জামে মসজিদে তার দ্বিতীয় জানাজা শেষে রাত ৯টা ১৫ মিনিটে দিকে পাবনা সদর উপজেলার আরিফপুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। পরিবারের আশা ছিল একমাত্র মেয়েকে জাকজমকপূর্ণ আয়োজনে বিয়ে দেওয়ার। কিন্তু তা আর হলো না।
দৈনিক ইত্তেফাকের পাবনা প্রতিনিধি, সহকারী অধ্যাপক রুমি খন্দকার এবং পাবনা কলেজের সাবেক সহকারী অধ্যাপক লুৎফুন্নাহার পলির এক মাত্র সন্তান।
১৯৯৫ সালে জন্ম জান্নাতুল ফেরদৌস ছোট থেকেই মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০০৯ সালে পাবনা সরকারি বালিকা বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং পাবনা মহিলা কলেজ থেকে ২০১১ সালে গোল্ডেন জিপিএ-৫ নিয়ে পাশ করার পর ভর্তি হন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানেই অনার্স ও মাস্টার্স শেষে ২০২১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা শুরু করেন।


