কক্সবাজার থেকে ‘বাংলা চ্যানেল’ সাঁতরে পাড়ি দিচ্ছেন ৩৫ জন সাঁতারু। টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ থেকে সেন্ট মার্টিন পর্যন্ত ১৬ দশমিক এক কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই সাগরপথ ‘বাংলা চ্যানেল’ নামে পরিচিত। চ্যানেলটি পাড়ি দিতে ৩৭ জন সাঁতারু নাম লিখিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ৩৫ জন সাঁতারু চূড়ান্ত প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়েছেন।
শনিবার সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিম সৈকত থেকে সাঁতার শুরু হয়। সাঁতার উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আলাউদ্দীন। সেন্ট মার্টিনের উত্তর সৈকতে পৌঁছে সাঁতার শেষ করেন প্রতিযোগীরা। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতায় এবং ক্রীড়া পরিদপ্তরের পৃষ্ঠপোষকতায় তারুণ্যের উৎসবের অংশ হিসেবে ‘ষড়জ অ্যাডভেঞ্চার’ এ প্রতিযোগীতার আয়োজন করে।
এবার ‘বাংলা চ্যানেল’ সাঁতারে অংশ নিয়েছেন ঢাকসুর সাবেক সদস্য সাইফুল ইসলাম রাসেল। এর আগে, তিনি একবার ডাবল ক্রস ছাড়াও ছয়বার ‘বাংলা চ্যানেল’ সাঁতরে পাড়ি দিয়েছেন। সবশেষ ২০২৩ সালে তিনি তিন ঘণ্টা ৫০ মিনিটে ওই চ্যনেল পাড়ি দিয়ে প্রথম হয়েছিলেন।
এছাড়া চ্যনেলটি সফলভাবে পাড়ি দেওয়া প্রথম নারী এমএসটি সোহাগী আক্তারও এবারের প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়েছেন।
সপ্তমবার ‘বাংলা চ্যানেল’ জয়ের উদ্দেশ্যে এসে সাইফুল ইসলাম রাসেল বলেন, ‘এর আগে ২০২১ সালে বাংলা চ্যানেল একসঙ্গে ডাবল পাড়ি দিয়েছি। এখন সাগর অনেকটা প্রতিকূল থাকা সত্ত্বেও আবারও প্রথম হওয়ার চেষ্টা করবো।’
‘কিং অব বাংলা চ্যানেল’ খ্যাত ২০ বার ‘বাংলা চ্যানেল’ পাড়ি দেয়া সাঁতারু এবং ‘ষড়জ অ্যাডভেঞ্চারের’ প্রধান নির্বাহী লিপটন সরকার জানান, এবার ৩৫ সাঁতারুর মধ্যে দুইজন নারী রয়েছেন। এই সাঁতার আন্তর্জাতিক রীতি মেনে পরিচালনা করা হচ্ছে। নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক সাঁতারুর জন্য বোট ও উদ্ধারকর্মী রয়েছে। ‘বাংলা চ্যানেল’ সাঁতারকে আন্তর্জাতিক মানের করে তোলা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এবারের আয়োজনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ঢাকা ব্যাংক পি.এল.সি। এছাড়া পাওয়ার্ড বাই পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আছে ডাইনামিক ডেন্টিস্ট্রি। ইভেন্ট পার্টনার হিসেবে রয়েছে ভিসাথিং, স্টুডিও ঢাকা এবং সরকার এগ্রো।


