বাংলাদেশে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবাদাতা ‘স্টারলিংক’ চালুর লাইসেন্স অনুমোদন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার (২৮ এপ্রিল) প্রেস উইং এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে।
শ্রীলঙ্কার পর বাংলাদেশ হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় দেশ, যেখানে স্টারলিংক তার কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। ইন্টারনেট সেবায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনার পাশাপাশি দুর্গম অঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ নিশ্চিত করাই এর মূল উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
তিনি বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধের প্রতিবাদে জনগণের দাবি এবং বিনিয়োগবান্ধব বার্তা দেওয়ার লক্ষ্যে স্টারলিংক আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’
‘এ জন্য মুহাম্মদ ইউনূস সরাসরি স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং ৯০ দিনের মধ্যে কার্যক্রম শুরুর আহ্বান জানান’, উল্লেখ করেন তিনি।
তৈয়্যব জানান, বর্তমানে দেশের ৬৫ শতাংশ টেলিযোগাযোগ টাওয়ার ফাইবার সংযোগবিহীন। অনেক জায়গায় মাইক্রোওয়েভ লিংকের মাধ্যমে সীমিত গতির ইন্টারনেট সেবা দেওয়া হয়। লোডশেডিংয়ের সময় মোবাইল টাওয়ার ব্যাটারি শেষ হলে ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। স্টারলিংকের মাধ্যমে এসব সীমাবদ্ধতা দূর হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘স্টারলিংক বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়াবে এবং বাংলাদেশে ডিজিটাল সেবার নতুন যুগের সূচনা করবে। শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্পন্ন উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত হবে।’


