বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে ধীরে ধীরে আবহাওয়ার উন্নতি হতে পারে। তখন আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষ বাড়ি ফিরতে পারবেন। তিনি বলেন, ‘পাহাড়ে বর্তমানে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন।’
রোববার বিকালে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো নিরাপদে চলাচলের উপযোগী করতে কাজ চলছে। পাশাপাশি কৃষিজমি ও গবাদিপশুসহ বিভিন্ন খাতে যাদের ক্ষতি হয়েছে, তাদের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’
সভায় জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর সভাপতিত্বে রাঙামাটি ২৯৯ আসনের সংসদ সদস্য অ্যা দীপেন দেওয়ান, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব এবং জেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এ পর্যন্ত প্রায় ১৩১টি পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত চলাচলের উপযোগী করতে সড়ক বিভাগ ও এলজিইডি কাজ করছে। তবে প্রতিকূল আবহাওয়া এবং একাধিক স্থানে ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
জেলা প্রশাসন আরও জানিয়েছে, গাছ পড়ে যাওয়া এবং পাহাড় ধসের কারণে কয়েকটি স্থানে বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন হয়েছে এবং কিছু খুঁটি হেলে পড়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ সেগুলো মেরামতের চেষ্টা করছে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল নেটওয়ার্কেও সমস্যা দেখা দিচ্ছে।


