পটুয়াখালীর বাউফলে পারিবারিক বিরোধের জেরে ভাবির শরীরে ফুটন্ত ভাতের হাঁড়ি ঢেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ননদের বিরুদ্ধে।
শনিবার দুপুরে উপজেলার কর্পূরকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় শারমিন বেগম নামের ওই গৃহবধূকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শারমিন ওই গ্রামের দুলাল প্যাদার স্ত্রী। অভিযুক্ত সালমা বেগম দুলালের ছোট বোন।
স্বজনরা জানান, দুপুরে রান্নাঘরে শারমিন সবজি কাটছিলেন। তখন সালমা সেখানে গিয়ে তর্কে জড়ান। একপর্যায়ে তিনি চুলার গরম ভাতের হাঁড়ি মাড়সহ শারমিনের শরীরে ঢেলে দেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন।
হাসপাতালের চিকিৎসক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, গরম ভাত ও মাড় আঠালো হওয়ায় শারমিনের ঘাড়, বুক, পিঠ, হাতসহ শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ ঝলসে গেছে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
স্বামী দুলাল প্যাদা বলেন, ‘আমার বোন সালমা হঠাৎ করেই এই অঘটন ঘটিয়েছে।’
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


