অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্সের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ খালেকের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
সোমবার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ফারইস্ট ইন্সুরেন্সের ভবন নির্মাণের নামে অর্থ আত্মসাৎ মামলায় দুদকের তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিচালক মশিউর রহমান জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর তরিকুল ইসলাম রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্সের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ খালেক দায়িত্বে থাকাকালে অন্যান্য আসামীদের সঙ্গে যোগসাজশে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফারইস্টের ৩৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ জমি ও বিল্ডিং ২০৭ কোটি ৬০ লাখ ৩৬ হাজার টাকায় কেনেন।
ফারইস্ট ইসলামী লাইফের জমি ক্রয়ের ক্ষেত্রে কোম্পানিটির সাবেক পরিচালক এম এ খালেক ও তার স্ত্রী সাবিহা খালেক ও মেয়ে সারওয়াৎ খালেদ সিমিন মোট ৪৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। এর মধ্যে নজরুল ইসলাম আত্মসাৎ করেন ৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং তার স্ত্রী তাসলীমা ইসলাম আত্মসাৎ করেন ১০ কোটি টাকা। আর এম এ খালেক নেন ১৫ কোটি টাকা, তার স্ত্রী সাবিহা খালেক ২ কোটি ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং কন্যা সারওয়াৎ খালেদ সিমিন নেন ৭ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সেজন্য তাদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন।
আবেদনে আরও বলা হয়, এ মামলার সঙ্গে আরও কারা কারা জড়িত, অর্থ আত্মসাত প্রক্রিয়ায় আরও কারা সহযোগী ছিলেন এসব রহস্য উন্মোচনের জন্য আসামীকে সাতদিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।


