রাজধানীর ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত এপেক্স গোডাউনের ভবনটির ফায়ার লাইসেন্স ছিল না বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল।
তিনি বলেন, ‘তারা কয়েক মাস আগে আবেদন করেছিল। কিন্তু ফায়ার সেফটির অনুমোদন না থাকায় তাদের লাইসেন্স দেওয়া হয়নি।’
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক। তিনি জানান, গোডাউনের বৈদ্যুতিক ডিস্ট্রিবিউশন প্যানেলে প্রথমে ধোঁয়া দেখতে পেয়েছিলেন সেখানকার লোকজন।
মুহাম্মদ জাহেদ কামাল বলেন, ‘আগুনে আমাদের ছয় ইউনিট কাজ করেছে। দুপুর ১২টায় আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছি। যে ভবনটিতে আগুন লাগে সেই ভবনটি পাঁচতলা। ভবনের চার তলায় অবস্থিত এপেক্সের গোডাউনে মূলত আগুনটি লাগে। আগুনে কোনো হতাহত নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভেতরে এখন আর কোনো আগুনের শিখা নেই। তবে ভিতরে ধোঁয়া রয়েছে। ধোঁয়া সম্পূর্ণ বের করে দেওয়া হলে আমরা আগুন পুরোপুরি নিভিয়ে ফেলব। আগুন সৃষ্টির মূল কারণ জানতে আমাদের তদন্ত করতে হবে।’
প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ কী হতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে মহাপরিচালক বলেন, ‘আমরা তদন্ত ছাড়া এ বিষয়ে কিছু বলতে চাচ্ছি না। তবে এখানের লোকজন আমাদের জানিয়েছে, তাদের এখানের বৈদ্যুতিক ডিস্ট্রিবিউশন প্যানেলে তারা প্রথমে ধোঁয়া দেখতে পায়। প্রথমে তারা নিজেদের কাছে থাকা অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা দিয়ে নেভানোর চেষ্টা করে। পরে তারা ব্যর্থ হওয়ায় ফায়ার সার্ভিসকে বিষয়টি জানায়। আমাদের তদন্তে তাদের এই বক্তব্যের বিষয়গুলোও আমরা দেখব।’
ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আগুন ফায়ার সার্ভিস দ্রুত নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে। আমরা ভেতরে গিয়ে দেখেছি। আর আগুন চারতলা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিল। তবে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, কিন্তু তা খুব বেশি না।’
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৫ মিনিটে রাজধানীর ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে এপেক্সের একটি শোরুমে আগুন লাগার সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। পরে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলো ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। এ ছাড়া হতাহতের কোনো সংবাদও পাওয়া যায়নি।


