প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, তারেক রহমান বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, যার পেছনে রয়েছে জনগণের নিরঙ্কুশ ম্যান্ডেট। তবে তার প্রকৃত পরিচয় কেবল এই ক্ষমতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং তার মূল শক্তি নিহিত রয়েছে জনসম্পৃক্ততা, দায়বদ্ধতা ও মানবিকতায়।
শনিবার নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে মাহদী আমিন উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে আসীন হওয়া সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চলাফেরা, কথা বলা ও বেশভূষায় যে অসাধারণ সারল্য এবং সংযম ফুটে ওঠে, তা সমসাময়িক ইতিহাসে বিরল।
প্রাচুর্য ও আভিজাত্যের চেয়ে মাটির কাছাকাছি থাকাকেই তিনি প্রাধান্য দিয়েছেন, যা তাকে একজন অনন্য জননেতায় পরিণত করেছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র লেখেন, ‘একটা সময় মনে হতো প্রধানমন্ত্রী মানেই ধরাছোঁয়ার বাইরের কেউ, যাকে ঘিরে থাকবে ভিভিআইপি প্রটোকলের দুর্ভেদ্য দেয়াল। কিন্তু সেই ধারণা ভেঙে দিয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সাধারণ মানুষের কাতারে নেমে এসেছেন। তিনি জনগণের অত্যন্ত কাছের মানুষ হয়ে কোটি মানুষের সমস্যা ও বাস্তবতাকে আপন করে নিয়েছেন।’
মাহদী আমিন আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় ব্যস্ততার বাইরে তার পারিবারিক জীবন অত্যন্ত নিরলঙ্কার। তার স্ত্রী ও কন্যাই তার মানসিক শক্তির প্রধান উৎস। এই পারিবারিক সংহতিই তাকে জনসেবায় গভীরভাবে নিবিষ্ট থাকতে প্রেরণা জোগায়। জনসভায় বিপুল জনসমুদ্রের মাঝেও মায়ের ছবির দিকে তার অপলক চেয়ে থাকার দৃশ্যটি জনগণের সঙ্গে তার আত্মিক সম্পর্কেরই বহিঃপ্রকাশ।
বর্তমানে তিনি যেন প্রতিটি পরিবারেরই একজন সদস্য–কারও কাছে বাবার মতো নির্ভরতা, কারও কাছে ভাইয়ের মতো আপন, আবার কারও কাছে প্রতিবেশীর মতো আন্তরিক।
উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র চললেও তিনি প্রতিটি অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করেছেন। জনগণের ভালোবাসাই বিএনপির পথচলাকে আলোকিত করেছে এবং আজ তাকে ঘিরেই সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন আবর্তিত হচ্ছে।


