প্রতিষ্ঠার পর প্রথমবারের মতো বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান তৈরি করেছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি)।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মুহাম্মদ ইসমাইল।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যুক্তরাজ্যভিত্তিক উচ্চশিক্ষাবিষয়ক সাময়িকী টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই) কর্তৃক প্রকাশিত ২০২৬ সালের তালিকায় অবস্থান নিশ্চিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।
টিএইচই-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এই বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে নোবিপ্রবি ১২০১ থেকে ১৫০০-এর মধ্যে স্থান পেয়েছে। এটি বাংলাদেশের মোট ২৮টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে দ্বাদশ (১২তম) অবস্থানে রয়েছে।
এতে বলা হয়, বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো গবেষণার মানদণ্ডে ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত নোবিপ্রবি বিশ্ব তালিকায় ৭২২তম অবস্থান অর্জন করেছে। ২০২৬ সালের র্যাঙ্কিংয়ে বিশ্বের ১১৫টি দেশ ও অঞ্চলের ২ হাজার ১৯১টি বিশ্ববিদ্যালয় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
টাইমস হায়ার এডুকেশন পাঁচটি মানদণ্ডে–শিক্ষা, গবেষণা পরিবেশ, গবেষণার গুণগত মান, শিল্পখাতে অবদান এবং আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গির ওপর ভিত্তি করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র্যাঙ্কিং নির্ধারণ করে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, ‘শিক্ষা ও গবেষণায় এগিয়ে যাওয়ার এটি একটি অন্যতম মাইলফলক।’ তিনি এই অর্জনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল বলে উল্লেখ করেন।
জুলাই বিপ্লবের পর গঠিত নোবিপ্রবি র্যাঙ্কিং সেলকে বিশেষ অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তাদের নিরলস পরিশ্রমে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।’
তিনি এটিকে ধারাবাহিক প্রচেষ্টা ও একাগ্রতার ফসল হিসেবে আখ্যায়িত করেন। উপাচার্য আরও আশা প্রকাশ করেন যে, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ইউজিসি, এলাকাবাসীসহ সকল অংশীজনের সহযোগিতায় ভবিষ্যতেও সাফল্যের এ ধারা অব্যাহত থাকবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য ও র্যাংকিং সেলের পরিচালক মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের পরই উপাচার্যের সার্বিক দিক-নির্দেশনায় একটি স্বতন্ত্র র্যাঙ্কিং সেল গঠন করা হয়।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন ডেডিকেটেড সেল নেই। প্রায় এক বছর ধরে চলমান এই কাজের স্বীকৃতি হলো বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে আজকের অবস্থান।


