ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত ও পরিচালনার ক্ষমতা দিয়ে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
এর ফলে খসড়াটি সংসদে পাস হলে পুলিশের বিশেষায়িত এই ইউনিট ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত ও কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা পাবে।
সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানে সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার ১৮তম বৈঠক আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দ্য আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৯-এর অধীনে গঠিত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নসকে অধিক জনবান্ধব করার লক্ষ্যে বিদ্যমান অধ্যাদেশ যুগোপযোগী করে বাংলায় ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। খসড়া আইনটি জনমত যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে সংযুক্ত করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত আইনের খসড়ায় বিদ্যমান দ্য আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৯ রহিত করে এ অধ্যাদেশের অধীনে কৃত কার্যক্রমের হেফাজতের বিধান রেখে বাংলায় আইনটি যুগোপযোগী করা হয়েছে।
পাশাপাশি বলা হয়েছে, পুলিশ বাহিনীর অধীন এ ব্যাটালিয়ন পুলিশের একজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে।
পুলিশেল বিশেষ এই ব্যাটালিয়নকে জননিরাপত্তা রক্ষা, ভিআইপি ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা, সরকার ঘোষিত স্থাপনাসমূহের নিরাপত্তা, সন্ত্রাস, মাদক, মানবপাচার, ধর্ষণ এবং মানবতাবিরোধী কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
‘ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত অন্যান্য আইন প্রতিপালন-সাপেক্ষে ইউনিটের সদস্যদের ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত ও কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছে,’ বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া এ আইনের খসড়ায়, বিশেষ আদালত ও সংক্ষিপ্ত আদালত গঠন ও বিচার পদ্ধতির প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।


