পাবনা-১ ও ২ আসনের বিষয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায় আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত করেছে সর্বােচ্চ আদালত।
ওই আদেশের ফলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গেই পাবনার এই দুই আসনেও ভোট অনুষ্ঠিত হতে বাধা নেই। আদালতে উপস্থিত সূত্র থেকে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
আদালতে ইসির পক্ষে ছিলেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার আরশাদুর রউফ, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক। অপরদিকে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার ইমরান এ সিদ্দিকী।
আদালতে ইসির পক্ষে ছিলেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার ইমরান এ সিদ্দিক।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। গত ১০ জানুয়ারি নির্বাচনী সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত জটিলতায় আপিল বিভাগের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ৬৮ পাবনা-১ ও ৬৯ পাবনা-২ আসনের নির্বাচন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত দেয় ইসি।
এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করা হয় গত ১২ জানুয়ারি। আবেদনে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে যথাসময়ে নির্বাচন ও নির্বাচনী কার্যক্রম শুরুর নির্দেশনা চাওয়া হয়। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার এ আদেশ দিল আপিল বিভাগ।
এর আগে ৫ জানুয়ারি পাবনা-১ ও ২ সংসদীয় আসনের সীমানা পুনঃনির্ধারণ করে গত বছরের ২৪ ডিসেম্বরের জারি করা গেজেট স্থগিত করে আপিল বিভাগ। এ সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলের শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়।
গত ১৮ ডিসেম্বর পাবনা-১ আসন থেকে বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বাদ দিয়ে পাবনা-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করা সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের গেজেটের অংশটুকু আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করে রায় দেয় হাইকোর্ট। একইসঙ্গে পাবনার সংসদীয় আসন দুটি আগের মতো পুনর্বহাল করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গেজেট প্রকাশ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করা হয়। লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে হাইকোর্টের সেই রায় স্থগিত করা হয়েছে।


