পদোন্নতি বৈষম্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন রাষ্ট্রায়ত্ত চার বাণিজ্যিক ব্যাংকের কর্মকর্তারা। এ সময় তারা ব্যাংকিং সেক্টরে বৈষম্য দূরীকরণসহ তিন দফা দাবি পেশ করেন।
রোববার সকালে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন তারা। এর সঙ্গে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিবাদ সভায় ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের পদোন্নতি বৈষম্য নিরসনের জন্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এরই মধ্যে এক থেকে তিন ধাপ উচ্চতর গ্রেডে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদেরও ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দিয়ে বৈষম্য দূরীকরণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তারা জানান, রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে ২০২৪ সালে হাজার হাজার সুপারনিউমেরারি পদোন্নতি দেওয়া হলেও পদ বিলুপ্তি ও বৈষম্যমূলক নতির কারণে পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মকর্তাদের বৈষম্য দূর করার কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এ সময় তারা অভিযোগ করেন, ২০২৫ সালে প্রকৃত বৈষম্য নিরসন না করে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ কর্তৃক ‘পদ আত্মীকরণ’ নামক নির্দেশনার মাধ্যমে প্রকৃত বৈষম্যের শিকার কর্মকর্তাদের পুনরায় পদোন্নতি বঞ্চিত করা হচ্ছে।
এর ফলে এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হয়নি জানিয়ে, মন্ত্রণালয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তা পদোন্নতির বিরোধিতা করছেন বলে মন্তব্য করেন তারা।
প্রতিবাদ সভায় জনতা ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, জুলকার নায়েন শাহ, অগ্রণী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার মো. শাহীন কাদের, ফারজানা, সোনালী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার এ কে এম মাকসুদ, আরাফাত হোসেনসহ সোনালী, রূপালী, জনতা ও অগ্রণী ব্যাংকের শত শত কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।


