আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নড়াইল সদর উপজেলার সিঙ্গাশোলপুর ইউনিয়নের বড়কুলা গ্রামে বাবা-ছেলেসহ চারজনকে হত্যার ঘটনায় ছয়জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সোমবার রাতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। তবে এ হত্যার ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আটকরা হলেন তারাপুর গ্রামের বনি শিকদার (৩৩), বড়কুলা গ্রামের হালিম ফকির (৬০), কালিয়া উপজেলার খড়রিয়া গ্রামের তুফান মোল্যা (৩০), সদরের তারাপুর গ্রামের সদয় মোল্যা (৩৬), সূর্য্য শিকদার (৩২), জসিম মোল্যা (৩০)।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বনি শিকদারকে, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ হালিম ফকিরকে ও সদর থানা পুলিশ তুফান মোল্যা, সদয় মোল্যা, সূর্য্য শিকদার, জসিম মোল্যাকে আলাদা অভিযানে আটক করে। তাদের নড়াইল সদর থানা থেকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে নিহত খলিল শেখ, তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন ও ভাতিজা ফেরদৌস শেখের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অপরদিকে সাবেক চেয়ারম্যান খায়েরুজ্জামান খায়ের গ্রুপের সদস্য ওসিবুর মিয়ার মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মো. রকিবুল হাসান বলেন, ‘এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্ত চলছে। এলাকার পরিস্থিতি সাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। হত্যাকান্ডে জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে।,
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নড়াইল সদর উপজেলার সিঙ্গাশোলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়েরুজ্জামান খায়ের গ্রুপ ও খলিল মোল্লার গ্রুপের মধ্যে এলাকার আধিপত্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।
এরই জেরে গতকাল সোমবার ভোরে সেহরির পর খায়ের গ্রুপের লোকজন খলিলের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালায়। দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই খলিল গ্রপের তিনজন নিহত হন। পরে আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হলে আরও একজন মারা যায়।
নিহতরা হলেন বড়কুলা গ্রামের খলিল গ্রুপের খলিল শেখ, তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন ও ভাতিজা ফেরদৌস শেখ। অপরদিকে সাবেক চেয়ারম্যান খায়েরুজ্জামান খায়ের গ্রুপের সদস্য ওসিবুর মিয়া নিহত হয়েছেন।


