এনআরবি ব্যাংকের ঋণ খেলাপির পৃথক দুই মামলায় করোনার ভূয়া রিপোর্ট কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সোমবার অর্থঋণ চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. মোশাররফ হোসেন তাকে গ্রেপ্তারের এ আদেশ দেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, এনআরবি ব্যাংক থেকে পৃথকভাবে পাঁচ লাখ ৫৫ হাজার এবং এক কোটি ৫১ লাখ ৮১ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে খেলাপি হন সাহেদ।
সাহেদের আইনজীবী দবির উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ‘আজ আমরা মামলা দু’টিতে জামিন আবেদন করি। তবে আসামি সাহেদ ঋণের টাকার ২৫ শতাংশ জমা দিতে না পারায় আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। আমরা এখন আপিল করবো।’
গত সোমবার দুপুরে রাজধানীর ইসিবি চত্বর থেকে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসান। সাহেদের বিরুদ্ধে একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে বলে তিনি জানান। সেদিন তাকে গ্রেপ্তার করে পল্লবী থানায় সোপর্দ করা হয়।
এর আগে, প্রতারণা, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনসহ সাহেদের বিরুদ্ধে ৩৫টি মামলা ছিল। সব কটিতেই পর্যায়ক্রমে জামিন পান তিনি। জামিনের প্রায় চার বছর পর ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের এক মাসের মাথায় ৪ সেপ্টেম্বর তিনি কারাগার থেকে ছাড়া পান।
সাহেদের নাম আলোচনায় আসে করোনা মহামারির সময়। ২০২০ সালের ৭ জুলাই উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালায় র্যাব। এই হাসপাতালের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন মো. সাহেদ। এই হাসপাতাল থেকে করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট জব্দ করা হয়। ওই ঘটনায় র্যাব বাদী হয়ে সাহেদসহ ১৭ জনের নামে করোনার সনদ জালিয়াতির অভিযোগে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করে।


