পর্নোগ্রাফির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার দম্পতি আজিম ও বৃষ্টি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। রোববার পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে সিআইডির উপপরিদর্শক মিজানুর রহমান আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন।
এর আগে, আসামিরা আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা আসামি মুহাম্মদ আজিমের ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেরা মাহবুব আসামি বৃষ্টির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গত ১৯ অক্টোবর রাতে বান্দরবানের রোয়াংছড়ি বাস স্টেশন সংলগ্ন হাজিপাড়া এলাকার ছয়তলা ভবনের একটি ফ্ল্যাট বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
মামলায় জানা গেছে, গত ১৫ দিন আগে বান্দরবান এসে ফল ব্যবসা করার কথা বলে ওই এলাকায় বাসা ভাড়া নেন তারা। এরপর থেকে তারা ওই বাসায় বসবাস করে আসছিলেন। এলাকায় তাদের সঙ্গে কারও পরিচয় ছিল না। জরুরি কাজ ছাড়া তারা বাসা থেকে তেমন একটা বেরও হতেন না।
সম্প্রতি তারা আলোচনায় আসার পর ঢাকার সিআইডির একটি দল বান্দরবান জেলা পুলিশের সহায়তায় রোযাংছড়ি বাস স্টেশন এলাকার সেই বাসায় অভিযান চালায়। পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, আলোচিত যুগল পর্নো ভিডিও বানিয়ে তা আন্তর্জাতিক সাইটে আপলোড করতেন। ২০২৪ সালের মে মাসে তাদের নামে একটি টেলিগ্রাম চ্যানেল খোলা হয়, যেখানে কয়েক হাজার সদস্য রয়েছেন। সেখানে নতুন ভিডিওর লিংক ও তাদের আয়ের স্ক্রিনশট শেয়ার করা হয়। তারা বিভিন্ন গ্রুপ খুলে সেখানে অন্যদেরও পর্নো ভিডিও বানাতে উৎসাহিত করতেন।


