মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়ানোকে সবচেয়ে বড় রাজনীতি বলে মনে করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার মতে, রাজনীতি হওয়া উচিত দেশের মানুষের জন্য।
সোমবার দুপুরে যশোরের শিশু আফিয়ার পরিবারের কাছে ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি চুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। সদর উপজেলার বাজুয়াডাঙ্গা গ্রামে এই আয়োজন করে যশোর জেলা বিএনপি।
এসময় দেশের রাজনীতিতে পরিবর্তন নিয়ে আসার কথাও বলেন বিএনপির প্রধান।
তিনি বলেন, ‘দোষারোপের রাজনীতি করলে মানুষের পেট ভরে না। আমরা অতীতে দেখেছি মঞ্চে দাঁড়িয়ে এক রাজনৈতিক দল অন্য দলের বিভিন্ন কাজের সমালাচনা করছে, দোষারোপ করছে। বহু বছর ধরে রাজনীতির এই ধারাবাহিকতা চলে আসছে। তবে এখন একটি পরিবর্তন প্রয়োজন, বিএনপি সেই পরিবর্তনের শুরুটা করেছে।’

দেশে আফিয়ার পরিবারের মতো অসংখ্য অসহায় পরিবার আছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘বিএনপি প্রচলিত রাজনীতির বাইরে এমন আফিয়াদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা সব সময় করে আসছে। তবে শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে এই বিশাল দায়িত্ব বহন করা বিএনপির জন্য অতন্ত কঠিন। সেজন্য আমরা বলেছি, বাংলাদেশের মানুষের সমর্থন পেলে আগামীতে সরকার গঠন করতে পারলে আমরা ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে এই সেবাগুলো নিশ্চিত করব।’
এসময় কৃষকদের জন্য কৃষিকার্ড চালু, শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের সঠিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগসহ সরকার গঠন করলে বিএনপির নানা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।
ভারী বর্ষণ কিংবা সীমান্তের ওপার থেকে পানি ছেড়ে দিলে বাংলাদেশের অনেকাঞ্চল প্লাবিত হয় উল্লেখ করে এ সমস্যা সমাধানে জিয়াউর রহমানের খাল খনন প্রকল্প ফের চালু করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান তারেক রহমান।
তিনি বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সবসময় বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে কাজ করেছেন। আমিও সেই ধারা অব্যাহত রাখতে চাই।’
এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নার্গিস বেগম, বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুসহ বিএনপির অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।
আলোচনাপর্ব শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে আফিয়ার পরিবারে কাছে ঘর হস্তান্তর করেন বিএনপির নেতারা।


