২৪ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরেই হারের তেতো স্বাদ পেল তুরস্ক। ২০০২ বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান অধিকারীদের প্রত্যাবর্তন সুখের হলো না। নিজেদের প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ২-০ গোলে হেরেছে তারা।
ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের নায়ক গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ। ২২ বছর বয়সী এই কিপার একাই ৮টি সেভ করে তুরস্ককে হতাশ করেন।
ম্যাচের আগে বড় চমক দেন অস্ট্রেলিয়া কোচ টনি পপোভিচ। অভিজ্ঞ অধিনায়ক ও গোলরক্ষক ম্যাথু রায়ান এবং সহ-অধিনায়ক জ্যাকসন আরভাইনকে বেঞ্চে বসিয়ে দেন তিনি। শুরুর একাদশে সুযোগ পান বিচ ও ২১ বছর বয়সী মিডফিল্ডার পল ওকন-ওকন–ইংস্টলার। অস্ট্রেলিয়ার শুরুর একাদশের ১০ জনেরই এটি ছিল বিশ্বকাপ অভিষেক।
কোচের এই সাহসী সিদ্ধান্ত মাঠে কাজে লেগেছে। ম্যাচের শুরু থেকে বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোতে খেলা প্রতিভাবানদের নিয়ে গড়া তুরস্ক। তবে প্রতিবারই বাধা হয়ে দাঁড়ান বিচ। অন্যদিকে সুযোগ বুঝে পাল্টা আক্রমণে আঘাত হানে অস্ট্রেলিয়া।
২৭তম মিনিটে ম্যাচের সেরা সুযোগটি পেয়েছিল তুরস্ক। রিয়াল মাদ্রিদের তারকা আর্দা গুলেরের জোরালো শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকান বিচ। এর পরের মিনিটেই (২৮তম মিনিট) এগিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ওকন-ওকন–ইংস্টলারের নিখুঁত লং পাস ধরে তুরস্কের রক্ষণ ভেঙে শান্ত মাথায় বল জালে জড়ান নেস্তুরি ইরানকুন্ডা।
দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধারা বজায় রাখে তুরস্ক। ৫৭তম মিনিটে গুলেরের ফ্রি-কিক কর্নারের বিনিময়ে ফিরিয়ে দেন বিচ। তুরস্ক যতই আক্রমণে উঠেছে, অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণ ততই দৃঢ় হয়েছে।
৭৫তম মিনিটে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে ফেলে অস্ট্রেলিয়া। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে এগিয়ে যান কনর মেটকাফ। প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া তাঁর দুর্দান্ত শটে ব্যবধান হয় ২-০। বাকি সময়ে তুরস্ক আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি।
এই জয়ে গ্রুপ ‘ডি’-তে ৩ পয়েন্ট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সমান অবস্থানে উঠে এসেছে অস্ট্রেলিয়া। আগামী শুক্রবার সিয়াটলে মুখোমুখি হবে এই দুই দল।


