বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) পরিচালিত তিতাস গ্যাস ফিল্ডে ৫টি ওয়েলহেড কমপ্রেসার স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে মাধ্যমে জাতীয় গ্রীডে প্রতিদিন অতিরিক্ত ২২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিজিএফসিএল।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তিতাস গ্যাস ফিল্ডের লোকেশন-ই (কূপ নম্বর ১১ ও ১২) এবং লোকেশন-জি (কূপ নম্বর ১৭, ১৮ ও ২৭) থেকে দীর্ঘদিন গ্যাস উৎপাদনের ফলে কূপ গুলোর ওয়েলহেড প্রেসার ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। ফলে জাতীয় গ্রীড লাইনের প্রেসারের তুলনায় ওয়েলহেড প্রেসার কম থাকায় কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছিল না।
এ সমস্যা সমাধানে ও জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত রাখতে তিতাস গ্যাস ফিল্ডের লোকেশন-ই এবং লোকেশন-জি তে নতুন করে ওয়েলহেড কমপ্রেসার স্থাপন প্রকল্প হাতে নেয় বিজিএফসিএল কর্তৃপক্ষ। প্রায় ৬২০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০২১ সালের মার্চ মাস থেকে কমপ্রেসার স্থাপন কাজ শুরু হয়। আমেরিকার এজি ইকোপমেন্ট ও সিঙ্গাপুরের জি কম ইন্টারন্যাশনালের সমন্বয়ে গঠন করা যৌথ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের আগেই কমপ্রেসার স্থাপন কাজ শেষ করে।
আগে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ৫টি কূপ থেকে প্রতিদিন ৩৯ মিলিয়ন ঘনফুট জাতীয় গ্রীডে সরবরার হতো। দুটি লোকেশনে ৫টি কমপ্রেসার স্থাপনে তিতাস গ্যাস ফিল্ডের লোকেশন-ই থেকে দৈনিক প্রায় ৩১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস এবং লোকেশন-জি থেকে প্রায় ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। যা আগের তুলনায় ২২ মিলিয়ন ঘনফুট বেশি।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, দেশের ক্রমবর্ধমান গ্যাস চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে তিতাস, হবিগঞ্জ ও মেঘনা গ্যাসক্ষেত্রের সাতটি কূপ ওয়ার্কওভার (প্রথম সংশোধিত), তিতাস ও কামতা গ্যাসক্ষেত্রে চারটি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খনন, তিতাস ও বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রে দুটি গভীর অনুসন্ধান কূপ খনন এবং হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ ও মেঘনা গ্যাসক্ষেত্রে ৩-ডি সাইসমিক জরিপ শীর্ষক চারটি প্রকল্পের বাস্তবায়নের কাজ চলছে।


