বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘গণভোট ও আলুর ন্যায্যমূল্য’ বিষয়ক মন্তব্যের সমালোচনা করে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়া শাহিন মাহমুদ নামের এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরের বিরুদ্ধে করা মামলার আবেদন খারিজ করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ সাইদুর রহমান গাজীর আদালতে এ আদেশ দেন।
এর আগে বুধবার ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে এ মামলার আবেদন করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইলতুৎমিশ সওদাগর এ্যানি। মামলায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদেরও আসামি করা হয়। আদালত মামলার এজাহার গ্রহণ করে পরে আদেশের দিন ধার্য করেন।
মামলার আবেদনে বলা হয়, ১২ নভেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান একটি দলীয় সমাবেশে ভার্চুয়াল বক্তব্যে দেশের মানুষের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে, গণভোটের চাইতে আলুর ন্যায্য মূল্য পাওয়া অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’ তারই প্রেক্ষিতে ১৫ নভেম্বর শাহিন মাহমুদ তার ফেসবুক একাউন্টে তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে একটি পোস্ট দেন। পোস্টে তিনি লেখেন ‘৮৮ কোটি টাকা দিয়ে বুলেট প্রুফ গাড়ি না কিনে ওই টাকা কৃষকদের দিলে পেঁয়াজ, আলুর ন্যায্য দাম পেত।
শাহিন মাহমুদের এই পোস্টকে কাণ্ডজ্ঞানহীন ও মিথ্যা আখ্যা দিয়ে মামলার আবেদনে বলা হয়, এতে তারেক রহমানের গৌরব, সম্মান, দেশপ্রেম, রাজনৈতিক দূরদর্শিতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার হীন প্রয়াস ফুটে উঠেছে। শাহিন মাহমুদের ফেসবুক আইডি ও অন্যান্য মাধ্যমের সাহায্যে তথ্য সংগ্রহ করে বোঝা যায়, শাহিন মাহমুদ ও অজ্ঞাতনামা অন্যান্য আসামিরা স্বেচ্ছায় বা কারো প্রভাব কিংবা নির্দেশনায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক ও সামাজিক গৌরবকে কলুষিত করতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে এমন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করেছেন। প্রকৃতপক্ষে শাহিন মাহমুদের দাবি করা ৮৮ কোটি টাকার বিনিময়ে কোনো বিলাসবহুল বুলেট প্রুফ গাড়ি কেনা হয়নি।


