গেল বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি মাহিয়া মাহি তার ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় জানান, তিনি রকিব সরকারের বৈবাহিক সম্পর্কের বিচ্ছেদ ঘটাচ্ছেন।
তখন তিনি বলেছিলেন, “চেষ্টা করেও যখন লাভ হয়নি, তখন বন্ধুত্বটাই রাখা ভালো। রাকিব ফারিশের প্রতি খুব যত্নবান বাবা, সেটাই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।”
সেই সময়ও রাকিবের প্রশংসা করেছিলেন মাহি—“রাকিব খুব ভালো মানুষ, পরোপকারী; কিন্তু আমাদের প্যাটার্ন আলাদা।”
দেড় বছর আগের সে ঘোষণার পর আর তাদের একসঙ্গে দেখা যায়নি। মাহি ব্যস্ত ছিলেন নিজের কাজ ও সন্তান ফারিশকে ঘিরে, আর রকিব ছিলেন নিজের রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে মাহি জানালেন—তাদের আসলে ডিভোর্স হয়নি।
এবার একই বিষয়ে নতুন বক্তব্য দিয়েছেন তিনি। মাহির ভাষায়, “আমি রাগের মাথায় ডিভোর্সের কথা বলেছিলাম। বাস্তবে আমাদের ডিভোর্স হয়নি, যোগাযোগও চলছে।”
তবে রাকিব এখন কোথায় আছেন, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। মাহি জানিয়েছেন, সম্প্রতি তাদের একটি পুরোনো ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করেছেন ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে। “ছবিটা ভারতে তোলা হয়েছিল। এখন অনেকে উইকিপিডিয়ায় দেখছেন আমি ডিভোর্সড, তাই পরিষ্কার করার জন্যই পোস্ট করেছি। আমাদের পাসপোর্টেও লেখা আছে ‘ম্যারিড’, স্বামীর নাম রাকিব সরকার,” বলেন তিনি।
এদিকে মাহির এই বিপরীতমুখী বক্তব্যে ভক্ত ও ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি। কেউ কেউ ধারণা করছেন, যুক্তরাষ্ট্রে বিশেষ কোটায় নাগরিকত্ব আবেদন করার কারণেই হয়তো তিনি এমন মন্তব্য করছেন।
এইসব আলোচনার মধ্যেই নতুন খবর এসেছে—জাজ মাল্টিমিডিয়া ঘোষণা দিয়েছে মাহিকে নিয়ে নতুন ছবি ‘অন্তর্যামী’-র। সিনেমাটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে থাকছেন তিনি।
উল্লেখ্য, সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সময় মাহি জানিয়েছিলেন, আর অভিনয়ে ফিরবেন না। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, তিনি আবারও ক্যামেরার সামনে ফিরছেন।
২০১৬ সালে সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুকে বিয়ে করেছিলেন মাহি। পাঁচ বছরের সংসার ভেঙে যায় ২০২১ সালে। এরপর তিনি সে বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর রকিব সরকারকে বিয়ে করেন।


