হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় চলমান গণটিকাদান কর্মসূচিতে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (বিডিআরসিএস)। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় টিকাদান কার্যক্রম জোরদারে সংস্থাটির প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবকদের সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।
শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় ডিএনসিসি। এর আগে ডিএনসিসি কার্যালয়ে আয়োজিত সমন্বয় সভায় কার্যক্রমের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়।
ডিএনসিসি জানায়, গত ১২ এপ্রিল থেকে ১১ মে পর্যন্ত চলমান হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির আওতায় মোট ৫৯৯টি টিকাদান কেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ৫৪টি স্থায়ী, ৫০২টি অস্থায়ী, ৩৫টি বৈকালিক এবং ৮টি শুক্রবারভিত্তিক কেন্দ্র। ১২ থেকে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৯৯০ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার ৭৮ শতাংশ।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোনো শিশু যাতে টিকার বাইরে না থাকে, সে লক্ষ্য নিয়ে ডিএনসিসির ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডে বিডিআরসিএসের ১০৪ জন প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার থেকে শুরু হয়ে এই কর্মসূচি ১১ দিন চলবে।
এই উদ্যোগটি ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজের (আইএফআরসি) ডিজাস্টার রেসপন্স ইমারজেন্সি ফান্ডের (ডিআরইএফ) আওতায় বাস্তবায়িত হবে। এর লক্ষ্য হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ, সুবিধাবঞ্চিত, পথশিশু ও ভ্রাম্যমাণ শিশুদের টিকাদানের আওতায় আনা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিএনসিসির ৩১টি ওয়ার্ডে নির্বাচিত ৫০টি টিকাদান কেন্দ্রে ১২৪ জন স্বেচ্ছাসেবক কাজ করবেন। এর মধ্যে ১০টি কেন্দ্রে শিশুদের জন্য বিশেষ ‘শিশুবান্ধব কর্নার’ স্থাপন করা হবে।
এ ছাড়া হাম প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে ডিএনসিসির বিলবোর্ডে তথ্যচিত্র প্রদর্শনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ৫৪টি ওয়ার্ডে মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রচার কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।


