আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের জন্য এখন পর্যন্ত ছয়জন নারী প্রার্থী ফরম সংগ্রহ করেছেন। শনিবার ১৮ জন প্রার্থী ফরম সংগ্রহ করায় মোট প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬১ জনে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক জসীম উদ্দিন শনিবার দুপুরে নবাব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে নির্বাচন অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। ফরম সংগ্রহের শেষ দিন ১৮ আগস্ট।
এই ছয়জন নারী প্রার্থীর মধ্যে একজন সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে, একজন সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে, একজন স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক পদে, একজন গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে এবং দুইজন সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ফরম সংগ্রহ করেছেন।
মোট ৬১ প্রার্থীর মধ্যে ১৪ জন প্রার্থী ডাকসুর ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। একজন সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে, দুইজন এজিএস পদে, ২১ জন বিভিন্ন সম্পাদকীয় পদে এবং ২৩ জন সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানা গেছে।
এ পর্যন্ত ১৩ জন প্রার্থী তাদের ফরম নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছেন।
জসীম উদ্দিন বলেন, ‘আমরা আশা করছি শেষ দুই দিনে সবচেয়ে বেশি ফরম সংগ্রহ করা হবে। আমরা তার জন্য প্রস্তুত আছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলন সংক্রান্ত মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা ভোট প্রদান করতে দেওয়া হবে না।’
‘ভোটের আগের দিনও যদি কোনো অভিযুক্ত প্রার্থী হিসেবে চিহ্নিত হন, তবে তাকে নির্বাচন থেকে বাদ দেওয়া হবে,’ যোগ করেন তিনি।
চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা ২৬ আগস্ট প্রকাশিত হবে, এবং ভোটগ্রহণ ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে, যা আবাসিক হলের বাইরে প্রথম ডাকসু নির্বাচন হিসেবে ইতিহাসে অভিষেক হবে।
২৯ জুলাই ডাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। তফসিল ঘোষণা করেন ডাকসু নির্বাচনের প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা জসীম উদ্দিন।
সর্বশেষ ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী থেকে বর্তমান শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা ডাকসু নির্বাচনের প্রার্থী ও ভোটার হতে পারবেন। এর আগে সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচন হয় ২০১৯ সালে।


