ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি যখন যুদ্ধ সমাপ্তের পরিকল্পনা প্রণয়নে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন; ঠিক তখনই দেশটির বিভিন্ন অংশে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া।
শনিবার রাশিয়ার শত শত ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন কিয়েভসহ ইউক্রেনের অন্যান্য অংশে হামলা চালায়।
জেলেনস্কি জানিয়েছেন, রাতভর চালানো এই হামলায় প্রায় ৫০০টি ড্রোন এবং ৪০টি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এতে রাজধানীর একাংশের বিদ্যুৎ ও তাপ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
এই হামলাকে ওয়াশিংটনের মধ্যস্থতায় চলমান শান্তি প্রচেষ্টার বিষয়ে রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া হিসেবেই উল্লেখ করছেন তিনি।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, শনিবার সকালেও হামলা অব্যাহত ছিল। ইউক্রেনের রাজধানীতে প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে বিমান হামলার সতর্কতা জারি ছিল। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কিয়েভ ও আশপাশের অঞ্চলে দুজন নিহত হয়েছেন এবং অন্তত ৪৬ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দুটি শিশু রয়েছে।
হামলার বিষয়ে ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, ‘রাশিয়া আজ দেখিয়ে দিল যে, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে তাদের যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া শান্তিপূর্ণ আলোচনার জবাবে তারা কেমন আচরণ করে।’
অন্যদিকে রাশিয়ায় মস্কোর অভিমুখী আটটি ড্রোন দেশটির বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী ভূপাতিত করেছে বলে শনিবার জানিয়েছেন শহরটির মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন।


