রাজধানীসহ সারা দেশে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট ও পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন নিয়ে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলে আলোচনা হলেও এই সমস্যা দ্রুত নিরসনে সুনির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্তের কথা জানাতে পারেনি মন্ত্রিসভা।
বৃহস্পতিবার বিকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এ তথ্য জানান।
ঢাকার রাস্তায় তেল পাম্পগুলোর আশেপাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘবে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে-এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব জানান, বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে, তবে তাৎক্ষণিক সমাধানের জন্য কোনো বিশেষ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি।
বিদ্যমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের চলমান কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদদারদের বিরুদ্ধে অভিযান এবং বিদেশ থেকে দ্রুত তেল আমদানির প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের অংশ হিসেবে ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা ২০২৫’ অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সচিব জানান, প্রস্তাবিত ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের সম্পূর্ণ অংশই সৌরশক্তি থেকে উৎপাদিত হবে এবং বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে এই নীতিমালাকে আগের চেয়ে অনেক বেশি সহজ ও কার্যকর করা হয়েছে।
সরকার আশা করছে, এই নীতিমালা বাস্তবায়নের মাধ্যমে অতীতে অকার্যকর থাকা ব্যবস্থাগুলো সচল হবে এবং জ্বালানি খাতে দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।


