জুলাই যোদ্ধা সাংবাদিকদের ওপর বাবুলের নেতৃত্বে হামলা!   

জুলাই যোদ্ধা সাংবাদিকদের ওপর বাবুলের নেতৃত্বে হামলা!   
জুলাই যোদ্ধা সাংবাদিকদের ওপর বাবুলের নেতৃত্বে হামলা। থানায় এজাহার। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

ফেনীতে জুলাই যোদ্ধা সাংবাদিকদের ওপর মহিপালে গণহত্যায় জড়িত যুবলীগ ক্যাডার আবদুর রহিম প্রকাশের (কথিত বাবুল ডাকাত) নেতৃত্বে হামলার অভিযোগ উঠেছে।

পরে বিক্ষুব্ধ জনতার হাতে বাবুলসহ তিনজন গণপিটুনির শিকার হয়েছেন। এই ঘটনায় আহতদের পক্ষে জাতীয় দৈনিক ভোরের আকাশের জেলা প্রতিনিধি ও ফেনীর ‘প্রত্যয়’র স্টাফ রিপোর্টার তানজিদ শুভ বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় এজাহার দাখিল করেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা য়ায়, সাংবাদিক ইউনিয়ন ফেনীর উদ্যোগে ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ফেনী প্রেস ক্লাবে জুলাই যোদ্ধাদের জন্য মঙ্গলবার বিকালে স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়। ওই সভায় জুলাই যোদ্ধা সাংবাদিকরা মহিপালে গণহত্যা বিষয়ে বক্তব্য দেন। তানজিদ শুভর বক্তব্যের পর যুবলীগ ক্যাডার সোনাগাজীর মাহমুদুল হাসানের ছেলে  বাবুলের নেতৃত্বে ফেনী পৌর কৃষক লীগ নেতা রামপুর সওদাগর বাড়ির ইয়াছিন আরাফাত রুবেল, মধুপুরের নাজিম উদ্দিন ও চৌদ্দগ্রামের নজির আহমদ রতনসহ ১০-১২জন ফেনী প্রেস ক্লাবের নিচে সশস্ত্র অবস্থান নেন।

এ সময় জুলাই যোদ্ধা সাংবাদিক ইউনিয়ন ফেনীর কোষাধ্যক্ষ ও জিটিভির জেলা প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন ফরায়েজি, দৈনিক ভোরের আকাশের তানজিদ শুভ, একুশে সংবাদের আব্দুল আল নোমান, বাংলাদেশ সমাচারের মো. হারুন, সোনালী কন্ঠের সাজ্জাতুল মিরাজ, ফেনীর প্রত্যয়’র সোহরাব হোসেনসহ সাংবাদিকেরা ফেনী প্রেস ক্লাবের নিচে নামতেই বাবুলের নেতৃত্বে অতর্কিত হামলা চালান। এতে সাংবাদিকরা গুরুতর আহত হন।

হামলার বিষয়ে ভুক্তভোগী দৈনিক ভোরের আকাশ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি ও ফেনীর প্রত্যয়’র স্টাফ রিপোর্টার তানজিদ শুভ বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সাংবাদিক ইউনিয়নের আয়োজনে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ছয় সাংবাদিকসহ শহীদের স্মরণে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা শেষে আমি ও আমার সহকর্মীদের ওপর পরিকল্পিত হামলা করা হয়।

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, ‘আলোচনা সভায় গণঅভ্যুত্থানে ফেনীর কথিত কিছু আওয়ামী লীগের দোসর ও চাটুকার সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ায় তারা আমাদের ওপর হামলা চালান।’

‘হামলাকারীরা হলেন-আবদুর রহিম প্রকাশ, নাজিম উদ্দিন, অবৈধ সিএনজি ও টোকেন বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত নজির আহমেদ রতনসহ আরও অনেকে,’ যোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘এ সময় আমি ও আমার সহকর্মী জিটিভির জেলা প্রতিনিধি জসিম ফরায়েজী, আবদুল্লা আল নোমান, মো. সুমন, সাজ্জাদুল ইসলাম মিরাজ, মো. হারুন ও আজমীর মিশু গুরুতর আহত হই। এ ছাড়া তারা আমাদের মোবাইল ও মানিব্যাগ কেড়ে নিয়ে যান তারা।’

এ ঘটনায় ফেনী সাংবাদিক ইউনিয়ন, সোনাগাজী প্রেস ক্লাব ও রিপোর্টাস ইউনিটি, দাগনভূইয়া রিপোর্টাস ইউনিটি, পরশুরাম প্রেস ক্লাব এবং জেলার একাধিক সামাজিক সংগঠন নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad