নীলফামারী-৪ আসনে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম ও তার গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিপক্ষ প্রার্থীর সমর্থকদের দায়ী করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি।
সোমবার দুপুরে সৈয়দপুর শহরের একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলা থেকে সৈয়দপুরে ফেরার পথে তার গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়। তার দাবি, প্রতিপক্ষ বিএনপি প্রার্থী আব্দুল গফুর সরকারের সমর্থকেরা এই হামলায় জড়িত।
সিদ্দিকুল আলম জানান, তিনি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নিজেকে একজন রাজনীতিবিদের পাশাপাশি শিল্পপতি হিসেবে পরিচয় দিয়ে তিনি বলেন, রংপুর অঞ্চলে তিনি একজন শীর্ষ ভ্যাট ও করদাতা।
তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তার কারণে তার সঙ্গে একজন গানম্যান রয়েছেন। ওই গানম্যান একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য এবং তার কাছে বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। তবে সেই অস্ত্রকে অবৈধ দাবি করে কিশোরগঞ্জ উপজেলার রণচণ্ডী ইউনিয়নের মাস্টারপাড়া এলাকায় প্রতিপক্ষের লোকজন মব সৃষ্টি করে।
সিদ্দিকুল আলমের অভিযোগ, প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জন যুবক তার গাড়িবহরে হামলা চালায়। এ সময় একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয় এবং জাতীয় পার্টির কয়েকজন নেতাকর্মী মারধরের শিকার হন। হামলায় তার গানম্যান আব্দুর রাজ্জাক আহত হন বলেও তিনি দাবি করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তাদের সহায়তায় তিনি ও তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা নিরাপদে ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে সক্ষম হন। এ জন্য স্থানীয়দের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, হামলার ঘটনায় রোববার রাতে কিশোরগঞ্জ থানায় সাতজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা (এজাহার) দায়ের করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বিএনপি প্রার্থী অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার মুঠোফোনে বলেন, ‘আমার কোনো কর্মীর সঙ্গে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। যতটুকু জেনেছি, বিষয়টি জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্কিত। এই হামলার ঘটনায় বিএনপির কেউ জড়িত নয়। এটি সম্পূর্ণ অপপ্রচার।’


