প্রতিবেশী ভারত বাংলাদেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানালেও জামায়াতে ইসলামীকে ‘লাল কার্ড’ দেখায় বলে মন্তব্য করেছেন সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, ‘এতে জামায়াতের কোনো উদ্বেগ নেই। ভারতের মাটিতে আশ্রয় নেওয়ার চিন্তা নেই। আমাদের আশ্রয়ের জায়গা বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের হৃদয়।’
বৃহস্পতিবার রাজধানীর কাকরাইলের আইডিবি মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের অর্জন নষ্টের অপচেষ্টা চলছে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন। শফিকুর রহমান বলেন, ‘জীবন দেব, তবুও ২০২৪ সালকে হারিয়ে যেতে দেব না। এই গণঅভ্যুত্থান না হলে বর্তমান সংসদ, সরকার ও বিরোধীদলীয় নেতার অবস্থানের সৃষ্টি হতো না।’
সরকারের কিছু মন্ত্রীর দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সংসদে এসব বিষয় তুললে এড়িয়ে যাওয়া হয়। অথচ বিরোধীদলকে সমালোচনা করতে গিয়ে পুরনো ঘটনা টেনে আনা হয়।
জুলাই আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল বৈষম্যহীন সমাজ ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠন। সেই প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন এখনো দৃশ্যমান নয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, সংবিধানে এ ধরনের কমিটির বিধান নেই। এই কমিটি জুলাইয়ের চেতনা ও গণভোটের রায় আড়াল করার চেষ্টা করছে। এ কারণেই জামায়াত সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে।
গণভোটের চারটি প্রশ্ন জনগণ বোঝেনি— এমন মন্তব্যকে জাতির অপমান বলে দাবি করেন তিনি। তার মতে, জনগণ সচেতনভাবেই গণভোটের রায় দিয়েছে। এটি উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।


