জয়পুরহাটে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের সংঘর্ষে আহত ৯

জয়পুরহাটে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের সংঘর্ষে আহত ৯
জয়পুরহাটের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

জয়পুরহাটে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে নয়জন আহত হয়েছেন। আহতদের জয়পুরহাটের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার বিকালে শহরের জয়পুরহাট সরকারি কলেজের পেছনে পশ্চিম গেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে জয়পুরহাট-১ সদর ও পাঁচবিবি উপজেলা আসনের ঘোড়া মার্কা প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার (শিখা) তার লোকজন নিয়ে জয়পুরহাট সরকারি কলেজ এলাকায় গেলে সেখানে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাসুদ রানা প্রধানের কর্মীদের সাথে তাদের সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের নয়জন আহত হয়েছেন।

আহতরা হলেন- ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা এলাকার আল হামজা (৩১), ফরিদপুর জেলা সদরের তানজিদ (২৯), সোহাগ (২৪), রোহান (২৬) ও আব্দুল্লাহ (২৬), পাঁচবিবি উপজেলার দানেজপুর এলাকার তৌফিক হোসেন (২৭), জয়পুরহাট চিনিকল সংলগ্ন তাজুর মোড় এলাকার রোমান হোসেন (৩৯), শান্তিনগর মহল্লার রাজিব হোসেন (৪১) ও আল আমিন (৩৬)। আহতরা বর্তমানে স্থানীয় জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আরও পড়ুন

স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহারের অভিযোগ, ‘কয়েকজন স্বজন ও কর্মীকে সাথে নিয়ে তিনি জয়পুরহাট সরকারি কলেজ কেন্দ্রে বুথ দেখতে যাওয়ার সময় কলেজ গেটে ধানের শীষের প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা তাকে বাধা দেয় এবং তারা তাকে হেনস্থা করে। এ সময় তার পক্ষের লোকজন তাকে উদ্ধার করতে গেলে বিএনপি প্রার্থীর লোকজন সন্ত্রাসী কায়দায় তাদের ওপর হামলা করে। হামলায় তার দেবরসহ কয়েকজন কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন।’

অন্যদিকে এ ঘটনায় স্বতন্ত্র প্রার্থী ও তার কর্মীদের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ করেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাসুদ রানা প্রধানের ছোট ভাই জেলা ছাত্রদল সভাপতি মামুনুর রশিদ প্রধান। তিনি বলেন, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার ফরিদপুর জেলা থেকে বহিরাগতদের নিয়ে এসে নির্বাচনী এলাকায় টাকা দিয়ে ভোট কিনছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে তাদের কর্মী ও স্থানীয় জনতা বাধা দেয়। এ সময় তার পক্ষের বহিরাগত সন্ত্রাসীরা তাদের কর্মী সমর্থকদের ওপর হামলা ও মারপিট করে। এতে আমাদের কয়েকজন কর্মী আহত হন।’

জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রাশেদ মোবারক জুয়েল বলেন, ‘আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তারা সবাই এখন শঙ্কামুক্ত।’

জয়পুরহাটের সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিছুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। তবে এ ব্যাপারে এখনও কোনো অভিযোগ পাওয়া যায় নি।’

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad