গাজীপুরের পূবাইলে হাসনা আক্তার (২০) নামে এক গৃহবধূকে গলা কেটে ও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী রফিকুল ইসলামের (২৮) বিরুদ্ধে।
রোববার দুপুরে হায়দরাবাদ শুকুন্দিরবাগ এলাকার হান্নান মার্কেটসংলগ্ন রেললাইনের কাছে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত রফিকুল ইসলামকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
রফিকুল ইসলাম নওগাঁ জেলার মান্ধা থানার ডাংগা গ্রামের মৃত সিরাজ মন্ডলের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত হাসনা আক্তার ও রফিকুল ইসলামের চার বছর আগে বিয়ে হয়। রফিকুল কিছুদিন আগে বিদেশ থেকে দেশে ফেরেন। গত চার বছরে পাঠানো টাকার হিসাব চাইলে স্ত্রীর সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়।
এর জেরে রোববার দুপুরে রফিকুল গাছা থানার খাইলকুর এলাকায় শ্বশুরবাড়ির ভাড়া বাসা থেকে স্ত্রীকে পূবাইলের হায়দরাবাদ মাওরারটেক রেললাইন এলাকায় ডেকে নিয়ে যান। সেখানে নির্জন স্থানে ধারালো ছুরি দিয়ে হাসনার গলায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন।
এ সময় হাসনার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তারা রফিকুলকে আটক করেন এবং গুরুতর আহত অবস্থায় হাসনাকে উদ্ধার করে প্রথমে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে পথেই তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে পূবাইল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রফিকুলকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। ময়নাতদন্তের জন্য হাসনার মরদেহ শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পূবাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, ঘটনাটি রেললাইনের সীমানায় হওয়ায় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আটক ব্যক্তিকে টঙ্গী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


