নাটোরে ট্রাকের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১২ জন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বড়াইগ্রাম উপজেলার নাটোর-পাবনা মহাসড়কের সরকারপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বনপাড়া হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক মো. আলমগীর হোসেন ও নাটোর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা আব্দুর রউফ ঘটনাস্থলেই ৯ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বরগুনা থেকে আরপি পরিবহনের একটি বাস রাজশাহী যাচ্ছিল। ভোরে বড়াইগ্রাম এলাকার বনপাড়ায় বিপরীত দিক থেকে আসা পাবনাগামী বালুবোঝাই একটি ট্রাকের সঙ্গে বাসটির সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান বাসের চালক ও হেলপারসহ ৯ জন। আহতদের উদ্ধার করে বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নাটোর সদর হাসপাতাল ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
নিহতরা হলেন ১. মো. সোহেল রানা (৪০), বাবা- আব্দুল হাকিম, গ্রাম ফরাদপুর, থানা- গোদাগাড়ী, জেলা- রাজশাহী
২. আনোয়ার হক (৩০) বাবা- বাবর আলী, গ্রাম-চায়পাড়া, থানা- বাগমারা, জেলা- রাজশাহী
৩. তাসফিয়া (৮), বাবা- শহিদুল ইসলাম গ্রাম সুবিদ আলী, থানা- মির্জাগঞ্জ, পটুয়াখালী
৪. জুয়েল (৪০), বাবা জহর উদ্দিন, গ্রাম-রামকৃষ্ণপুর, থানা- জাজিরা, শরীয়তপুর
৫. ট্রাক ড্রাইভার মো. কালাম (৩৫), গ্রাম বরানগড়, থানা- বরাতলা, ঝিনাইদহ
৬. সালাল মোল্লা (৪৫), বাবা-জাহান উদ্দিন মোল্লা, গ্রাম- ডুবি সাহাবুর, থানা- জাজিরা, শরীয়তপুর
৭. মো. শাহিন (৩৫), বাবা-রাজ্জাক, গ্রাম- কাজির হাট, থানা- জাজিরা, শরীয়তপুর
৮. সোহাগ (৩০), বাবা- ইউনুস, গ্রাম- ডুবি সাহাবুর, থানা- জাজিরা, শরীয়তপুর
৯. আব্দুস সামাদ (৭০), বাবা- আরব আলী ফকির, গ্রাম- ডুবি সাহাবুর, থানা- জাজিরা, শরীয়তপুর
১০. মো. শহিদুল ইসলাম (৪৫), বাবা- আজাহার হাওলাদার, গ্রাম পূর্ব সুবিদখালী, থানা- মির্জাগঞ্জ, পটুয়াখালী
১১. রাসেল (৩৫), বাবা-মৃত সাজ্জাদ, গ্রাম- কলমুডাঙ্গা, থানা সাপাহার, নওগা
১২. ফ্রি হিমেল পরিজন (৩০), পিতা- শ্রী দ্বারা, গ্রাম- বাকুমদিয়া, থানা- ফরিদপুর, জেলা- ফরিদপুর


