পরীক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহারের অভিযোগে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) নয় শিক্ষার্থীকে একাডেমিকভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্খলা নির্ধারণকারী সংস্থা বোর্ড অব ডিসিপ্লিন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স রুমে বোর্ড অব ডিসিপ্লিনের সভা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক এস এম আবদুর রাজ্জাক। এ সময় বোর্ডের সদস্য সচিব ও ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক মো. রবিউল ইসলাম সরকারসহ অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভিযুক্ত নয় শিক্ষার্থীর মধ্যে আটজনকে দুই শিক্ষাবর্ষের (চার সেমিস্টার) জন্য এবং একজনকে এক সেমিস্টারের জন্য একাডেমিকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে শাস্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পরীক্ষায় চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে ব্যবহৃত ডিভাইসগুলো জব্দ করা হয়েছে এবং একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসব ডিভাইস ফেরত দেওয়া হবে না।
শাস্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের জন্য আপিলের সুযোগ রাখা হয়েছে। তারা প্রথমে একাডেমিক কাউন্সিলে আপিল করতে পারবেন। সেখানে নিষ্পত্তি না হলে পরে আইনিভাবে উচ্চ আদালতে যাওয়ার সুযোগ থাকবে।
বোর্ড অব ডিসিপ্লিনের সদস্য সচিব অধ্যাপক রবিউল ইসলাম সরকার বলেন, ‘পরীক্ষার হলে মুঠোফোন বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কিন্তু অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা মুঠোফোন নিয়ে বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে অসদুপায় অবলম্বন করছিল। এটি একটি গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গ। আশা করছি, এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে।’


