চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবি ও স্থানীয়দের তৎপরতায় ওই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
শুক্রবার ভোররাত ৫টার দিকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৭৭/২ এস এলাকা দিয়ে এই পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ।
পুশইনের শিকার ২০ জনের মধ্যে ৫ জন পুরুষ, ১১ জন নারী ও ৪ জন শিশু ছিল। তাদের আন্তর্জাতিক শূন্যরেখায় দীর্ঘ সময় বসিয়ে রাখা হয়। স্থানীয় জনতা ও বিজিবি কঠোর অবস্থান নিলে বিএসএফ তাদের ভারতের ৬০ গজ অভ্যন্তরে নিয়ে যায়। এ সময় সীমান্তে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে বিজিবির সঙ্গে স্থানীয় জনতা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। বিজিবি ও জনতার বাধার মুখে বিএসএফের সঙ্গে বিজিবির তর্কবিতর্ক শুরু হয়। বিজিবি কঠোরভাবে তাদের ফেরত নিতে বললে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বিএসএফ সবাইকে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। সীমান্তে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
স্থানীয়রা জানান, পুশইনের শিকার মানুষদের গত ছয় থেকে সাত দিন ধরে ভারতের সুখদেবপুর সীমান্তে জড়ো করা হয়। এতে নারী ও শিশুরা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। শুক্রবার ভোররাতে তাদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করা হয়েছিল।
মহানন্দা ব্যাটালিয়নের (৫৯ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী জানান, উভয় দেশের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৭৮/৩ এস পিলারের নিকটবর্তী সুখদেবপুর এলাকা দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে ফেরত পাঠানোর মাধ্যমে অনুপ্রবেশ প্রতিহত করা হয়েছে। বিজিবি সীমান্তে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে কোনো ধরনের অবৈধ পুশইন মেনে নেওয়া হবে না।


