চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে সর্দি, কাশি ডায়রিয়াসহ ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ৫৬ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও আন্তঃবিভাগে প্রতিদিনই বাড়ছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা। এ ছাড়া রোটা ভাইরাসের কারণে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে অধিকাংশ শিশু।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে এই চিত্র দেখা যায়।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শিশু কনসালটেন্ট ডা. মাহবুবুর রহমান মিলন জানান, শীতের তীব্রতা বাড়ার কারণে সর্দি, কাশি ও ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিনদিন বাড়ছে। এ সময় রোটা ভাইরাসের কারণে ছয় মাস থেকে দুই বছরের শিশু ডায়রিয়ায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। এ ছাড়া শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, ব্রাংকাইটিস, নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন এলাকাবাসী।
বহির্বিভাগে রোগীর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি জানিয়ে তিনি জানান, শয্যার তুলনায় কয়েকগুণ বেশি রোগী ভর্তি থাকায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালসহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলোতে ভোগান্তি বেড়েছে। অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসক ও নার্সদের।
তবে হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ রয়েছে বলে জানান ডা. মাহবুবুর রহমান মিলন।
এ ছাড়া হাসপাতালের শয্যার তুলনায় বেশি রোগী ভর্তি থাকায় মেঝে ও বারান্দায় চিকিৎসা নিতে হচ্ছে রোগীদের। ফলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রোগীরা তুলনামুলক কম সুস্থ হচ্ছেন।


