কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়া এলাকায় একটি ছাত্রাবাসে ২২ বছর বয়সী নারীকে চার দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত রাফিউজ্জামান রবিন (২৪)কে গ্রেপ্তার করেছে কুষ্টিয়া মডেল থানা-পুলিশ। গ্রেপ্তার রবিন কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার লক্ষীখোলা গ্রামের।
সোমবার সকালে ওই নারী ছাত্রাবাস থেকে পালিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার হন। পরে পুলিশ তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শহরের আড়ুয়াপাড়া ১ নম্বর মসজিদ ও ২ নম্বর স্কুলসংলগ্ন একটি বহুতল ভবনের নিচতলার দুই কক্ষের ছাত্রাবাসে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, প্রেমের সম্পর্কের প্রলোভন দেখিয়ে ওই নারীকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর চার দিন তাকে জোরপূর্বক আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণ করা হয়।
ভুক্তভোগী বলেন, একপর্যায়ে সুযোগ বুঝে তিনি ছাত্রাবাস থেকে বের হয়ে রাস্তায় আসেন। তাকে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
তিনি অভিযোগ করেন, ছাত্রাবাসে থাকা কয়েকজন তার ব্যাগে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্রসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পুড়িয়ে দিয়েছে। ঘটনার পর ছাত্রাবাসের অন্য বাসিন্দারা পালিয়ে গেছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ইকবাল হোসেন বলেন, ‘হিস্ট্রি অব সেক্সুয়াল অ্যাসল্ট’ নিয়ে ওই নারীকে গাইনি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও মেডিকেল পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতব্বর বলেন, ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। তবে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


