চট্টগ্রাম নগরীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা জব্দ করতে গিয়ে চালকের ধাক্কায় আহত পুলিশ কনস্টেবল আব্দুল কুদ্দুস (৫৫) ছয় দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মারা যান তিনি।
আব্দুল কুদ্দুস চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ট্রাফিক-পশ্চিম বিভাগে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায়।
সিএমপির সহকারী কমিশনার (মিডিয়া) আমিনুর রশিদ বলেন, ‘টানা ছয় দিন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকার পর বুধবার তিনি মারা যান। এ ঘটনায় পুলিশ সদস্যদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ ধরনের মৃত্যু কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা শোকাহত।’
পুলিশ সূত্র জানায়, গত ১৫ মে রাতে নগরের পাহাড়তলী থানার রাসমনি ঘাট এলাকায় অবৈধভাবে চলাচলকারী একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা আটক করেন কনস্টেবল আব্দুল কুদ্দুস। পরে সেটি ট্রাফিক পুলিশের মনসুরাবাদ ডাম্পিং স্টেশনে নেওয়ার সময় তিনি চালকের পাশে বসে ছিলেন।
পথে অটোরিকশাচালক হঠাৎ তাকে ধাক্কা দেন। এতে চলন্ত গাড়ি থেকে তিনি সড়কে ছিটকে পড়েন এবং রাস্তার বিভাজকের সঙ্গে মাথায় আঘাত লেগে গুরুতর আহত হন। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দীন তালুকদার জানান, মৃত্যুর পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার দিনই পাহাড়তলী থানায় মামলা করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় অভিযুক্ত অটোরিকশাচালক আবদুল জলিলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী বলেন, চালকের ধাক্কায় মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছিলেন আব্দুল কুদ্দুস। ঘটনার পর থেকেই তার অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল।


