কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার হাসানপুর স্টেশনের কাছে সোনারবাংলা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন বিকল এবং গুণবতী এলাকায় মেঘনা এক্সপ্রেসের চারটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে চট্টগ্রামের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে ও বিভিন্ন স্টেশনে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।
বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লাকসাম রেলওয়ে জংশনের স্টেশন মাস্টার মো. ওমর ফারুক।
ওমর ফারুক জানান, চট্টগ্রামের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। দুটি লাইনের যেকোনো একটি সচল করা গেলেই ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু হবে।
নাঙ্গলকোট স্টেশন মাস্টার জামাল উদ্দিন জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী সোনারবাংলা এক্সপ্রেস গুণবতী স্টেশন অতিক্রম করে হাসানপুর স্টেশনের অদূরে পৌঁছালে এর ইঞ্জিন বিকল হয়ে আপ লাইনে আটকা পড়ে।
এদিকে, সোনারবাংলা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন বিকলের খবর পেয়ে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা চাঁদপুরগামী মেঘনা এক্সপ্রেস ডাউন লাইন দিয়ে গুণবতী স্টেশন অতিক্রম করে হাসানপুরের দিকে যাওয়ার সময় মাঝপথে রাত ৮টার দিকে চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়। ফলে আপ ও ডাউন—উভয় লাইনেই ট্রেন আটকে যায় এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়ে।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, সোনারবাংলা এক্সপ্রেসের বিকল ইঞ্জিন এবং মেঘনা এক্সপ্রেসের লাইনচ্যুত বগি উদ্ধারে চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন রওনা হয়েছে। উদ্ধারকারী ট্রেন পৌঁছানোর পরই উদ্ধারকাজ শুরু হবে।
লাকসাম জংশন স্টেশন মাস্টার ওমর ফারুক আরও জানান, চট্টগ্রাম থেকে সোনারবাংলা এক্সপ্রেসের জন্য একটি সচল ইঞ্জিন পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি মেঘনা এক্সপ্রেসের চারটি লাইনচ্যুত বগি ঘটনাস্থলে রেখে বাকি অংশ লাকসামে নিয়ে আসা হচ্ছে। এসব কাজ শেষ হলেই ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে।


