রাজধানীর মোহাম্মদপুরকে গডফাদারমুক্ত করতে বিশেষ অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে র্যাব। বাহিনীটির দাবি, অভিযানে কিশোরগ্যাংগুলো নির্মূল করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় কোনো কিশোরগ্যাং সক্রিয় নেই।
শুক্রবার বিকালে কাওরান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাব-২ অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান।
তিনি জানান, মোহাম্মদপুরের কিশোরগ্যাং লিডার এলেক্স ইমন হত্যা মামলার অন্যতম আসামি জহিরুল ইসলাম ওরফে রিপোল ওরফে বিপুলসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, একটি একনলা বন্দুক ও সাতটি ধারালো দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
নয়মুল হাসান বলেন, ‘আমরা গডফাদারদের গ্রেপ্তার করছি। নিচের সারির সদস্য বা ছোটখাটো গ্রুপগুলোর দিকে বেশি নজর দিচ্ছি না। গডফাদারদের গ্রেপ্তারের ফলে মোহাম্মদপুর আগের তুলনায় অনেকটা স্থিতিশীল হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘মোহাম্মদপুরকে ‘সিটি অব গডস’ হিসেবে যে হাইপ তৈরি করা হয়েছে, সেটি মূলত একটি ধারণা। আমরা মোহাম্মদপুরকে সেই ধারণা থেকে বের করে আনার চেষ্টা করছি। এরই মধ্যে অনেকটা সফল হয়েছি। নিকট ভবিষ্যতে গ্যাং ও সন্ত্রাসী তৎপরতা পুরোপুরি নির্মূল করতে পারব বলে আশা করি।’
র্যাব-২ অধিনায়ক বলেন, ‘মোহাম্মদপুরকে বখাটে ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে অভিযান চলছে। একইভাবে পুরো সিটিকেই নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
এলেক্স ইমন হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারা জড়িত, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটি তদন্তকারী কর্মকর্তা বলতে পারবেন। আমরা তদন্তে সহায়তার জন্য গ্রেপ্তারকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখছি। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দির পর হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়। আমরা সরাসরি তদন্ত করছি না। এ বিষয়ে থানা পুলিশই ভালো তথ্য দিতে পারবে।’


