ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরায়েলের আগ্রাসনকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ায় জাতিসংঘ কমিশনের প্রতিবেদনকে স্বাগত জানান তিনি।
বুধবার রাতে ফেসবুক স্ট্যাটাসে তারেক রহমান বলেন, ‘১৯৪৮ সালের কনভেনশনে গণহত্যাকে “একটি জাতীয়, জাতিগত, বর্ণগত বা ধর্মীয় গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস করার উদ্দেশ্য” হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।’
এই বিএনপি নেতা বলেন, ‘জাতিসংঘের নতুন কমিশনের প্রতিবেদনে গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে এমন অপরাধের জন্য ইসরায়েলকে সরাসরি দায়ী করা হয়েছে। আর কোনও অজুহাত বা মিথ্যা প্রচারণার আড়ালে লুকিয়ে থাকা চলবে না।’

মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য গাজাবাসীর প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক নৈতিকতার আলোকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বাস্তব পদক্ষেপ নিতে হবে — অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সব উপায় ব্যবহার করে দ্রুত ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি আটকে পড়া গাজাবাসীর কষ্ট লাঘবের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে খাদ্য, ওষুধ ও অন্যান্য মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে হবে।’
‘ফিলিস্তিনিদের অস্তিত্ব যখন ঝুঁকির মুখে থাকে তখন আমরা নিষ্ক্রিয় থাকতে পারি না’ উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লিখেছেন, ‘ইতিহাস আমাদের নৈতিক ও সাহসিকতার সাথে কাজ করার অনেক শিক্ষা দেয়, এমনকি পথ যখন সবচেয়ে কঠিন তখনও ন্যায়ের পথ বেছে নেওয়াই উত্তম।’
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন রাষ্ট্রের কাছে পরিবর্তন বয়ে আনার হাতিয়ার রয়েছে। আমি আশা করি, সারা বিশ্বের বাংলাদেশিরা, দেশে বা দেশের বাইরে বসবাসকারী, তাদের সম্মিলিত কণ্ঠস্বর তুলে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে কথা বলবেন, পদক্ষেপ নেবেন এবং ইসরায়েলের নৃশংস ধ্বংসযজ্ঞের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়াবেন।’


